বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল), ১৬ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী |আর্কাইভ|
আবাসিক এলাকায় হলুদ-মরিচ গুঁড়ার মেশিন
নভেম্বর ১০, ২০২০

পরিবেশ দূষণের অভিযোগ এলাকাবাসীর

আলম: রাজধানীর নবাবগঞ্জ আবাসিক এলাকায় গুঁড়া করা হচ্ছে মরিচ ও হলুদ। গুঁড়ার কাজে বসানো হয়েছে ৪টি মেশিন। মেশিন চালুর সময় আশপাশের ভবনগুলো থরথর করে কাপতে থাকে। শব্দ আর মরিচ-হলুদ গুঁড়ার ঝাঁঝে পরিবেশ দূষণ করছে বলে এলাকাবাসী জানান। লালবাগ থানার ১০৪ নং নবাবগঞ্জের বাসিন্দা শাহানা দিল আফরোজ  আইডিয়াল নিউজকে জানান, মরিচ ও হলুদ ঘুঁড়া করা মেশিনগুলো যখন চালু হয় তখন আমাদের আবাসন ভবনটি থরথর করে কাপতে থাকে। বিকট আওয়াজে আশ পাশের ২৫টি পরিবারের লোকজন রাতে ঘুমাতে পারে না। তিনি আরো জানায়, যেখানে হলুদ-মরিচ গুঁড়া করে সেখানেই বিক্রি করা হচ্ছে। হলুদ ও মরিচের গন্ধে চোখ মুখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে। হলুদ ও মরিচ গুঁড়া করা মেশিনের শব্দে এলাকার আশপাশের অনেক ভাড়াটিয়ারা অন্যত্র চলে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। শাহানা দিল আফরোজ  আইডিয়াল নিউজকে আরও বলেন, আমি নিয়মিত সিটি করপোরেশনকে খাজনা দিয়ে আসছি। তিনি দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এর কর্তৃপক্ষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেন। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি এক স্বাস্থ্য পরিদর্শক বলেছেন, আবাসিক এলাকায় দিন-রাত মরিচ ও হলুদ ভাঙানোর নিয়ম নেই। রাতের বেলায় ভাঙাতে হলে দোকান বন্ধ করে নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের নিষেধ করার পরও তাঁরা দিনের বেলায় মরিচ ও হলুদ গুঁড়া করে যাচ্ছেন। ফলে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। নবাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মো. আনোয়ার আইডিয়াল নিউজকে বলেন, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এখানে মরিচ ও হলুদ গুঁড়া করা হয়। এসব মেশিনগুলো বন্ধ করার জন্য সংশ্লিস্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেছি। জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে কিছুদিন এ কাজ বন্ধ ছিল। এখন আবার একই অবস্থা। এ বিষয় বাড়ির মালিক মো. ইরান এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লাইসেন্স নিয়ে ২৫ বছর যাবৎ এ ব্যবসা করে আসছি। দীর্ঘ সময়ে আমাকে কোন দিন কিছুই বলে নাই। অনেকেই আমার মত হলুদ-মরিচ গুড়া করে আসছে। তাদেরও তো কিছু হচ্ছে না বলে তিনি জানান।